বন ও গাছ সংরক্ষণ অধ্যাদেশ ২০২৬ জারি, গাছে পেরেক মারলে সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা জরিমানা

PHOTO: Internet
Share the News

গাছ ও বন সংরক্ষণে কঠোর ব্যবস্থা নিতে সরকার বন ও গাছ সংরক্ষণ অধ্যাদেশ, ২০২৬ জারি করেছে। নতুন এই অধ্যাদেশে গাছে পেরেক বা অন্যান্য ধাতব বস্তু প্রবেশ করিয়ে ক্ষতিসাধন করলে সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

মঙ্গলবার আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের মুদ্রণ ও প্রকাশনা শাখা থেকে অধ্যাদেশটি জারি করা হয়। আজ প্রকাশিত এক সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জনস্বার্থে এটি গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়েছে।

অধ্যাদেশ অনুযায়ী, বাণিজ্যিক উৎপাদনের উদ্দেশ্য ছাড়া গাছে পেরেক বা ধাতব বস্তু ব্যবহার করে ক্ষতি করা নিষিদ্ধ। এই বিধান লঙ্ঘন করলে আদালত সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা করতে পারবেন।

এতে আরও বলা হয়েছে, সংরক্ষিত বন, অনির্ধারিত রাষ্ট্রীয় বন, সামাজিক বনায়ন এলাকা, সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য সরকারি স্থানে অবস্থিত গাছ বন সংরক্ষণ কর্মকর্তার পূর্বানুমতি ছাড়া কাটা বা অপসারণ করা যাবে না। এ ক্ষেত্রে বন আইন, ১৯২৭-এর ৪ ও ৬ ধারার বিধান প্রযোজ্য হবে।

অধ্যাদেশের কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য প্রধান বন সংরক্ষক বিভাগীয় বন কর্মকর্তাদের গাছ সংরক্ষণ কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেবেন।

গেজেট বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বন বিভাগের দ্বারা নিষিদ্ধ ঘোষিত বা বিপন্ন হিসেবে চিহ্নিত গাছ কোনোভাবেই কাটা যাবে না। তবে নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির গাছ কাটার অনুমতি দেওয়া যেতে পারে।

অনুমতির জন্য আবেদনকারীদের নির্ধারিত ফরমে গাছের প্রজাতি, সংখ্যা, আনুমানিক উচ্চতা, বুক উচ্চতায় বেড় (গার্থ) এবং গাছ কাটার কারণ উল্লেখ করতে হবে। যাচাই-বাছাই ও সরেজমিন পরিদর্শনের পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ৩০ দিনের মধ্যে লিখিত সিদ্ধান্ত দিতে হবে।

এছাড়া, অবৈধভাবে গাছ কাটার জন্য সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।