এলপিজি’র কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের

PHOTO: Internet
Share the News

দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সংকট নেই উল্লেখ করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে জ্বালানি মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এসব সতর্কতামূলক পদক্ষেপের মাধ্যমে শিগগিরই এলপিজির খুচরা মূল্য স্বাভাবিক পর্যায়ে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেছে সরকার।

খুচরা পর্যায়ে এলপিজির উচ্চমূল্যের প্রেক্ষাপটে জ্বালানি উপদেষ্টা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেন এবং সার্বিক পরিস্থিতি বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করেন। পরে জ্বালানি সচিবের সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ে এলপিজি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন ও এলপিজি অপারেটরদের নেতাদের সঙ্গে আরেকটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে চলমান এলপিজি পরিস্থিতি বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়। এতে এলপিজি অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা ও আমদানিকারকেরা জানান, চলতি মাসে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এলপিজির মূল্য পুনর্নির্ধারণ করায় কিছু খুচরা বিক্রেতা সেই সুযোগ নিয়ে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশে এলপিজির পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে, তবে স্থানীয় পর্যায়ের কিছু বিক্রেতা বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছে।

এতে আরও জানানো হয়, ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে দেশে এলপিজি আমদানি হয়েছে ১ দশমিক ০৫ লাখ মেট্রিক টন এবং ডিসেম্বর মাসে আমদানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ২৭ লাখ মেট্রিক টনে। আমদানি বাড়লেও বাজারে সরবরাহ ঘাটতির কোনো যৌক্তিক কারণ নেই বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

সরকার ইতোমধ্যে এলপিজি অ্যাসোসিয়েশনের উত্থাপিত কয়েকটি দাবির সমাধানে উদ্যোগ নিয়েছে বলেও জানানো হয়। এছাড়া বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, কৃত্রিম সংকট বিষয়ে আজই এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন একটি বিবৃতি দেবে।